যুদ্ধবিরতির জন্য নিরপেক্ষ স্থানে বসছে ভারত-পাকিস্তান: রুবিও
Published: 10th, May 2025 GMT
ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি সম্মত হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করার পর মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও বলেছেন, “একটি নিরপেক্ষ স্থানে বিস্তৃত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে তারা।”
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে রুবিও বলেছেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং শরিফের প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা এবং রাষ্ট্রনায়কসুলভ মনোভাবের প্রশংসা করি, যারা শান্তির পথ বেছে নিয়েছেন।”
রুবিও আরো বলেন, তিনি ও জেডি ভ্যান্স (ভাইস প্রেসিডেন্ট) গত ৪৮ ঘণ্টা ভারত ও পাকিস্তানের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে,এমন কী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।
আরো পড়ুন:
যুদ্ধবিরতির তথ্য নিশ্চিত করলো ভারত
ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত: ট্রাম্প
ঢাকা/রাসেল
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
পথের পাশের টিউবওয়েলটি কত মানুষেরই না তৃষ্ণা মেটায়
কুষ্টিয়া শহর থেকে সকাল ১০টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলাম। সঙ্গে বন্ধু ফারুকুর রহমান। শহর ছাড়িয়ে একটু খোলা প্রকৃতি দেখার ইচ্ছায় সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দিকে রওনা দিলাম।
দহকুলা গ্রাম পেরিয়ে সামনেই পেয়ে গেলাম বিস্তীর্ণ মাঠ। সড়কের দুপাশে পাকা ধানখেত। কৃষকেরা সোনালি ধান কাটায় ব্যস্ত। এই সময় ফারুকের ফোন বেজে উঠল, বাড়ি থেকে জানানো হলো ভূমিকম্প হয়েছে। আমার ফোনেও একই খবর। চলন্ত মোটরসাইকেলে থাকায় ভূমিকম্পের কিছুই টের পাইনি।
ফোনে কথা বলতে বলতে চোখে পড়ল—চারদিকে জনবসতি নেই, শুধু মাঠ আর মাঠ। সেই নির্জনতার মাঝেই সড়কের এক মোড়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা সাতটি বেলগাছ। গাছগুলোর সামনে একটি টিউবওয়েল। টিউবওয়েলের কাছেই গাছে বাঁধা রাবারের দড়িতে ঝুলছে প্লাস্টিকের ছোট কাপ। সেই কাপ টেনে টিউবওয়েলের কাছে এনে ফারুক পানি খেল।
ঠিক তখনই সড়ক ধরে এক ভ্যানচালক এসে থামলেন বেলগাছতলায়। তিনিও পানি খেলেন। জানালেন, সড়কের ধারে বড় গাছপালা নেই বললেই চলে। এই বেলগাছগুলো নাকি অযত্নেই বেড়ে ওঠা। দুই বছর আগে এলাকার এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার মাঠে কাজ করা কৃষক আর পথচারীদের সুবিধার জন্য টিউবওয়েল বসান। দূরে মাঠে আরও কিছু টিউবওয়েল আছে কিন্তু দীর্ঘ দূরত্বের সড়কের পাশে এটি ছাড়া নেই।
বেলগাছগুলোতে পাখির আনাগোনা দেখা গেল। কয়েকটি পাখি উড়াল দিল, আবার ফিরেও এল। গাছ, টিউবওয়েল আর খোলা মাঠ—জায়গাটি যেন পথিকের জন্য বিরতিস্থান।
কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা আবার রওনা দিলাম। সামনে নাজিরপুরের রাস্তা। পেছনে রয়ে গেল সাতটি বেলগাছ, টিউবওয়েল আর পথচলার সাধারণ কিন্তু দরকারি এক ব্যবস্থা, যা হয়তো প্রতিদিনই অনেক মানুষকে একটু থামতে শেখায়।