অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের দেড় শ বছর উদ্যাপনের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
Published: 12th, July 2025 GMT
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের দেড় শ বছর উদ্যাপনের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে দেড় শ বছর উদ্যাপনের থিম লোগো উন্মোচন, বৃক্ষরোপণসহ উন্মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে জেলার অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
জেলার এই প্রাচীন বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৫ সালে। আগামী ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর প্রাচীন এই বিদ্যালয়ের দেড় শ বছর উদ্যাপনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন অ্যালামনাই অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা এক্স-স্টুডেন্টস সোসাইটি (আবেশ)। এ উপলক্ষে আজ শনিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্যাপন উপলক্ষে নিবন্ধন কার্যক্রমের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের ভেতরে থাকা স্কুলবাগানে দুটি বৃক্ষ রোপণ করেন আবেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অবসরপ্রাপ্ত লে.
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা খালেদ হোসেন, আবেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সাজ্জাদুল হক ও সভাপতি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন সগীর আহমেদ, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জহিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা, সহসভাপতি মো. ইমাম শাহীন ও খায়রুল ইমাম, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল হক, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ। অতিথিরা কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
সারা দেশে ‘রোড শো’ করবে বিএনপি, ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ‘বিজয় মশাল রোড শো’। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।
আরো পড়ুন:
বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া
ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়: ফখরুল
তিনি জানান, ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুরে বিজয় মশাল রোড শো এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগে মশাল বহন করবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন জুলাইযোদ্ধা।
১৬ ডিসেম্বর ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিজয় মশাল রোড শো। এতে পরিবেশিত হবে বিএনপির থিম সং, 'সবার আগে বাংলাদেশ'।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বিজয় মশাল যাত্রা শুরু করবে। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিন চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে পৌঁছাবে। বিজয় মিছিলের মশাল বহন করবেন ১৯৭১ সালের একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০১৪ সালের একজন জুলাইযোদ্ধা। আমরা মনে করি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ হলো দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার।”
বিএনপি মহাসচিব জানান, দুই সপ্তাহের এই বিশেষ 'রোড শো' উদযাপনের সময় বিভিন্ন বিভাগের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধের গান, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের নির্বাচিত অংশ প্রচার, জাসাসের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শন হবে।
একইসঙ্গে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি।
তিনি জানান বিভাগ ঘুরে বিজয় মশাল সবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। একইদিন ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে 'বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো'। বিজয় মাস উপলক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি ছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচি উদযাপিত হতে থাকবে।
ঢাকা/রায়হান/সাইফ